
নিজস্ব প্রতিবেদক | শুক্রবার, ১০ ফেব্রুয়ারি ২০২৩ | প্রিন্ট | ৪৩৮ বার পঠিত | পড়ুন মিনিটে

কো-চেয়ার সুমি সরকার ও কো-চেয়ার সিহাব চৌধুরী।
বহুজাতিক এ সমাজে নিজেদের অধিকার-মর্যাদা সমুন্নত রাখার অভিপায়ে নতুন প্রজন্মের প্রবাসীরা ২০১৯ সালের নভেম্বর মাসে সংগঠিত হয়েছেন ‘বাংলাদেশি আমেরিকান ফর পলিটিক্যাল প্রগ্রেস’ (বাপ)এর ব্যানারে।
মূলধারার রাজনীতিতে সম্পৃক্ত হয়ে বিভিন্ন পর্যায়ের নির্বাচনে নিজেদের একজনকে মনোনয়ন অথবা পছন্দের প্রার্থীর পক্ষে জোরালো ভুমিকায় অবতীর্ণ হওয়ার অন্যতম একটি প্ল্যাটফর্ম হিসেবে কাজ করছে ‘বাপ’। ইতিমধ্যেই তা অনেকের দৃষ্টি কেড়েছে এবং কংগ্রেস, স্টেট এ্যাসেম্বলী, স্টেট সিনেট, সিটি কাউন্সিলম্যানদের অনেকেই নতুন প্রজন্মের বাংলাদেশিদের সাথে নিয়েছেন। গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালনও করছেন কয়েকজন। উল্লেখ্য, যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিক ও সামাজিক সুযোগ-সুবিধা আদায় করতে হলে রাজনীতি ও প্রশাসনে সম্পৃক্ততার বিকল্প নেই। ‘বাপ’ তার কর্মপরিধি আরো ব্যাপক করতে অতি সম্প্রতি নয়া নির্বাহী কমিটি গঠন করেছে। এর কো-চেয়ার হচ্ছেন সুমি সরকার এবং সিহাব চৌধুরী। সুমি থাকেন কুইন্সের হলিসউডে এবং কাজ করেন একটি বায়োটেক কোম্পানীতে। অপরদিকে সিহাব চৌধুরী কাজ করছেন নিউইয়র্ক সিটি মেয়র অফিসে সহকারি পরিচালক(ইকনোমিক অপরচ্যুনিটি) হিসেবে। বাপের সেক্রেটারি সুমন আলম যুক্তরাষ্ট্রে আসার আগে তরুণ বয়সেই একটি স্বৈরাচারি সরকার পতনের আন্দোলনে জড়িত ছিলেন। সেই সাংগঠনিক অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে নিউইয়র্কের তরুণ প্রজন্মকে রাজনৈতিক অঙ্গনেও ঐক্যবদ্ধ করে প্রবাস জীবনের স্বপ্ন পরিপূর্ণ করতে কাজ করছেন। একইসাথে দেশ ও প্রবাসের মধ্যে সেতুবন্ধনের দায়িত্বেও অধিষ্ঠিত রয়েছেন।
নয়া কমিটির কোষাধ্যক্ষ মৌমিতা জামান নিউইয়র্ক সিটির শিক্ষা বিভাগে সহযোগী পরিচালক (মাল্টিলিঙ্গুয়্যাল লার্নার) হিসেবে কাজ করছেন। টেকনিক্যাল পরিচালক সাকিব সালেহ হচ্ছেন সফ্টওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার এবং তিনি অধিকারের প্রশ্নে মূলধারার রাজনীতিতে অন্য সকলকে সম্পৃক্ত করার সংকল্প নিয়ে মাঠে রয়েছেন। কম্যুনিকেশন ডাইরেক্টর ফারাহ সালাম কুইন্সের সানিসাইডে বাস করেন এবং কাউন্সিলওম্যান জুলি ওউনের অফিসে ডিস্ট্রিক্ট ম্যানেজার হিসেবে রয়েছেন। মেম্বার অ্যাট লার্জ হচ্ছেন জুয়েল উদ্দিন এবং তানিম কবীর।



