সোমবার ২০শে মে, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ | ৬ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের কার্যকরী কমিটির জরুরি সভা অনুষ্ঠিত

যুক্তরাষ্ট্র প্রতিনিধি   |   সোমবার, ১৫ এপ্রিল ২০২৪ | প্রিন্ট  

যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের কার্যকরী কমিটির জরুরি সভা অনুষ্ঠিত

কমিটি বানিজ্য, তদ্বির বাণিজ্য আর পদ-পদবির নামে আর্থিক দুর্নীতিতে নিমজ্জিত কর্মকর্তার নিন্দা এবং অবিলম্বে নয়া কমিটি গঠনের আহবানে ১৩ এপ্রিল শনিবার যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের কার্যকরী কমিটির জরুরি সভা অনুষ্ঠিত হয়। নিউইয়র্ক সিটির জ্যাকসন হাইটসে একটি পার্ট হলে নিজাম চৌধুরী স্বাগত বক্তব্য দেন এবং সভাপতিত্ব করেন সংগঠনের সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট বীর মুক্তিযোদ্ধা এম ফজলুর রহমান। এ সময় উল্লেখ করা হয় যে, কার্যকরী কমিটির ৯৫% সদস্য-কর্মকর্তার সম্মতিতে এ সভা অনুষ্ঠিত হচ্ছে। সভাপতির বক্তব্যে এম ফজলুর রহমান বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রতি অনুরোধ রেখে বলেন, সামনের সেপ্টেম্বরে জাতিসংঘের সাধারণ অধিবেশনে যোগদানের জন্যে নিউইয়র্কে অবস্থানকালেই যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের সম্মেলনের মাধ্যমে নয়া কমিটির অনুমোদনের প্রত্যাশায় রয়েছি সকলে। ফজলুর রহমান অভিযোগ করে বলেন, বিদায়ী কমিটির সভাপতি ড. সিদ্দিকুর রহমানের অন্যায়, মিথ্যাচার এবং দুর্নীতির বিরুদ্ধে এই জরুরী সভা আয়োজন করেছি। এটি হচ্ছে কমিটির নামে আর কমিটিতে অন্তর্ভুক্তির নামে বাণিজ্য করার প্রতিবাদ সভা। আমাদের হাই কমান্ডের দোহাই দিয়ে লাগাতারভাবে মিথ্যাচা করছেন উনি। এখনও পদ বিক্রি করছেন।

সংগঠনের দফতর সম্পাদক প্রকৌশলী মোহাম্মদ আলী সিদ্দিকী ও সাংগঠনিক সম্পাদক মহিউদ্দিন দেওয়ান যৌথভাবে পরিচালিত এ সমাবেশের ওপর দফতর সম্পাদক ইঞ্জিনিয়ার মোহাম্মদ আলী সিদ্দিকী স্বাক্ষরিত প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, সভার শুরুতে পবিত্র কোরআন, গীতা ও বাইবেল থেকে পাঠ করে শোনানো হয় এবং পরে বাংলাদেশের অভ্যূদয়ের সকল গনতান্ত্রিক ও স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলনে নিহত শহীদ, ‘৫২এর মহান ভাষা আন্দোলন, ‘৭১ এর মুক্তিযুদ্ধ, ৭৫ এর ১৫ আগস্ট জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানসহ পরিবারের অধিকাংশ সদস্য, ৩ নভেম্বর জেল প্রকোষ্ঠে নিহত জাতীয় ৪ নেতা, ২০০৪ এর ২১ আগষ্টে গ্রেনেড হামলায় নিহতদের স্মরণে দাঁড়িয়ে ১ মিনিট নিরবতা পালন করা হয়।

আলোচনা সভার শুরুতে এম ফজলুর রহমান উপস্থিত নেতৃবৃন্দের সামনে জরুরি কার্যকরী সভার প্রেক্ষাপট তুলে ধরেন। তিনি বলেন, সংগঠনের বিদায়ী সভাপতি ড. সিদ্দিকুর রহমান স্বৈরাচারী কায়দায় গত ১৩ বছর দল চালিয়েছেন। তিনি গঠনতন্ত্রের তোয়াক্কা করেন না। অনবরত মিথ্যাচার তার হাতিয়ার। আওয়ামী লীগ সহ অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনগুলোকে ভেঙ্গে বিলীন করেছেন। তার স্ত্রীসহ মাত্র হাতে গোনা ৫/৭ জন লোক তার সাথে আছে। এমতাবস্থায় তিনি বর্ধিত সভার নামে শূন্যপদ পূরণের জন্যে আবার সভা আহবান করেছেন। কার্যকরী কমিটির মেজরিটি সদস্যের অনুমোদন ছাড়া কমিটিতে কোন পদ পূরণের কোন ক্ষমতা গঠনতন্ত্র তাকে দেয়নি। তার এ ধরনের কর্মকাণ্ডের তীব্র নিন্দা জানিয়ে এম ফজলুর রহমান বলেন, অতীতেও তার এরকম পদ-বাণিজ্য বৈধতা পায়নি, এবারও পাবে না। আসুন সম্মিলিতভাবে কমিটির ৯৫% সদস্যের মতামত নিয়ে আমরা একটি রেজ্যুলেশন করে জননেত্রী শেখ হাসিনার কাছে প্রেরণ করি এবং সম্মেলনের মাধ্যমে একটি নতুন কমিটির দাবি জানাই।

পরে উপস্থিত নেতৃবৃন্দ বক্তৃতায় তাদের স্ব স্ব মতামত ব্যক্ত করেন। কার্যকরী সদস্য আসাফ মাসূক বলেন, কি করে সিদ্দিক সাহেব ডা. মাসুদুল হাসানকে সহ-সভাপতি করলেন? সেতো হাইকমান্ডের নির্দেশে শুরুতেই বহিষ্কৃত। পরে কিভাবে যেন উপদেষ্টা হন। আজ এখানে কাল ওখানে। আসলে তার কোনো চরিত্র নাই, সবই ভুয়া।

অন্যতম আরেক সদস্য কায়কোবাদ খান বলেন, সিদ্দিকুর রহমানের অপকর্মের জন্যে নেত্রীর সামনে আমরা হাজারকন্ঠে যেভাবে “নো মোর সিদ্দিক” স্লোগান দিয়েছিলাম, প্রয়োজনে আবারও তার প্রতিধ্বনি হবে। কার্যকরী সদস্য খোরশেদ খন্দকার বলেন, কোনো মিটিংয়ের সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন হয় না। আশা করি আজকের মিটিংয়েরটা হবে।

শিল্প ও বাণিজ্য সম্পাদক ফরিদ আলম বলেন, আমরা এবার সম্মেলন চাই। আপনারা শীর্ষ নেতৃবৃন্দ ঐক্যবদ্ধ হন, আমরা আপনাদের সাথে আছি। আর কোনো অনিয়ম দলের মধ্যে বরদাস্ত করা হবে না। ত্রাণ ও সমাজকল্যাণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর হোসন বলেন, সিদ্দিকুর রহমান সভাপতি হয়ে ব্যবসা আর পদ বাণিজ্য করতে করতে তার লাজ-লজ্জা লোপ পেয়েছে। এবার শক্ত হাতে তাকে দমন করতে হবে।

সাংগঠনিক সম্পাদক মহিউদ্দিন দেওয়ান বলেন, আমি তার সাথে দীর্ঘদিন কাজ করেছি। তার কোনো নীতি-আদর্শ নাই। সে কোনোদিন ছাত্রলীগ- আওয়ামী লীগ করে নাই। আজ আপনারা দুই গ্রুপ একতাবদ্ধ হয়েছেন। এই ঐক্য ধরে রাখতে পারলে সফলতা আসবেই।

মানবাধিকার সম্পাদক মিসবাহ আহমেদ বলেন, দোষ আসলে ড. সিদ্দিকের না, আপনারা যারা ছাত্রলীগের বড় বড় নেতা ছিলেন, তারা আজ পর্যন্ত তাকে সহায়তা করে সভাপতি পদে টিকিয়ে রেখেছেন। সেপ্টেম্বর এলেই একটা চেয়ারের লোভে আপনারা তার সাথে চলে যান। ২০১৭ সাল থেকে নিউইয়র্কে আওয়ামী লীগের ব্যানারে অনুষ্ঠিত নেত্রীর সংবর্ধনা সমাবেশের মঞ্চে যেতে পারে না, সভাপতিত্বও করতে পারেনা আমাদের মত কিছু লোকের আন্দোলনের কারণে। বিভিন্ন স্টেট থেকে সম্মেলনের নামে যে চাঁদাবাজি করেছেন ড. সিদ্দিক, তা জননেত্রী ফেরত দিতে বলেছেন। কিন্তু আজও তিনি তা ফেরত দেননি। বরং সকল টাকা কোষাধ্যক্ষকে না দিয়ে তার স্ত্রীর ভ্যানিটি ব্যাগে রেখেছেন। আমরা তার সকল টাকা সংগঠনের তহবিলে ফেরত দানের দাবী করছি। আইন বিষয়ক সম্পাদক এ্যাডভোকেট শাহ বখতিয়ার বলেন, আসুন আমরা অবিলম্বে তলবী সভা ডেকে গঠনতন্ত্র মোতাবেক সিদ্দিককে বিদায় দেই এবং সম্মেলন প্রস্তুতি কমিটি করে নেত্রী বরাবর পাঠাই নতুন কমিটি গঠনের জন্যে।

দফতর সম্পাদক প্রকৌশলী মোহাম্মদ আলী সিদ্দিকী বলেন, সীমাহীন অপরাধ করেছেন ড. সিদ্দিক যুক্তরাস্ট্র আওয়ামী লীগকে ভেঙেচুড়ে তছনছ করে। আজ প্রবাসে আওয়ামী লীগ একটি দুর্বল সংগঠন। যখন তখন দলের নেতাদেরকে শোকজ, বহিষ্কার ইত্যাদি করে প্রকট অনৈক্য তৈরী করে বিএনপি-জামাতের হাতকে তিনি শক্তিশালী করেছেন। ফলশ্রুতিতে তাদের হাতেই নিগৃহীত হয়েছেন ওয়াশিংটন ডিসিতে। আমরা দলের এই অনুপ্রবেশকারী সুবিধাবাদী চরিত্রের লোকের হাত থেকে মুক্তি চাই।

উপদেষ্টামণ্ডলীর সদস্য রমেশ চন্দ নাথ বলেন, অনেক হয়েছে, এবার আসুন ঐক্যবদ্ধভাবে এই অপশক্তিকে বিদায় করে নতুন যাত্রা শুরু করি।

উপদেষ্টা ড. প্রদীপ রঞ্জন কর বলেন, বিগত ১৩ বছর যাবৎ আমরা আন্দোলন করে যাচ্ছি এই চরম মিথ্যাবাদী সিদ্দিকুর রহমানের বিরুদ্ধে। সে ১৫ আগষ্ট নিয়েও মিথ্যাচার করেছে। সে বলেছে, ওইদিন নাকি সে কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রতিবাদ মিছিল করে আটক হয়েছিলো। কত বড় মিথ্যাচার এটি! আমি তখন সেখানকার ছাত্রনেতা। জিয়ার আমলে সে সরকারী বৃত্তি নিয়ে ইউকে তে যায়। ড. কর বলেন, গত এপ্রিলে নেত্রী ভার্জিনিয়াতে আমাদেরকে বলেছেন, কমিটি করে পাঠাও আমি সই করে দেবো।
যুগ্ম সম্পাদক নিজাম চৌধুরী বলেন, ড. সিদ্দিক চরম মিথ্যাবাদী। সে আমাদের কাছ থেকে ডিভাইড এন্ড রোল শিখে এখন আমাদের উপরই প্রয়োগ করছে। তার ডাকা মিটিংয়ে দেখি কারা যায় এবং পদ নেয়। কেউ গেলে সে হবে খন্দকার মুসতাকের খালাতো ভাই।

সভার সভাপতি ও দলের সহ-সভাপতি এম ফজলুর রহমান তার সমাপনী বক্তব্যে বলেন, আমরা আজ প্রতিজ্ঞাবদ্ধ। ঐক্যবদ্ধভাবে আমরা আমাদের দাবি রেজ্যূলেশন আকারে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার কাছে প্রেরণ করবো যাতে আগামী সেপ্টেম্বরের মধ্যে একটা নতুন কমিটি হয়। যাকেই নেত্রী সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক হিসেবে মনোনীত করেন তা আমরা মেনে নেব এবং একসাথে কাজ করবো। তিনি বলেন, অনেকে আজ এ সভায় উপস্থিত থাকতে পারেননি ঈদ পরবর্তী পারিবারিক প্রোগ্রাম ও পহেলা বৈশাখের কারণে কিন্তু সকলেই টেলিফোনের মাধ্যমে একাত্মতা ঘোষণা করেছেন এবং সবমিলিয়ে সে সংখ্যা ৯৯।
প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে আরো উল্লেখ করা হয় যে, সভায় অতিথি বক্তা হিসেবে আরো বক্তব্য রাখেন- যুবলীগ নেতা জামাল হোসেন, ছাত্রলীগ নেতা শহিদুল ইসলাম, স্টেট আওয়ামী লীগের সহ সভাপতি শেখ আতিক, আওয়ামী লীগ নেতা আকতার হোসেন, শেখ হাসিনা মঞ্চের সভাপতি জালাল উদ্দিন জলিল, মহিলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সম্পাদক রুমানা আখতার, ছাত্রলীগ নেতা শেখ মো. জুয়েল, যুবলীগ নেতা খন্দকার জাহিদুল ইসলাম, যুবলীগ নেতা মো. জাহিদ মিয়া প্রমুখ।

এর দু’দিন আগে যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের কার্যকরী কমিটি ও উপদেষ্টামন্ডলীর সদস্যরা এক যুক্ত বিবৃতিতে সম্মেলনের মাধ্যমে নয়া কমিটি গঠনের জন্যে সভাপতি শেখ হাসিনার সদয় দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন। বিবৃতিদানকারী কার্যকরী কমিটির নেতৃবৃন্দ হলেন ১। সহ সভাপতি এম ফজলুর রহমান, ২। সহ-সভাপতি আখতার হোসেন, ৩। সহ-সভাপতি সৈয়দ বসারত আলী, ৪। সহ সভাপতি মাহবুবুর রহমান, ৬।সহ সভাপতি ডা. মোহাম্মদ আলী মানিক, ৭। যুগ্ম সম্পাদক নিজাম চৌধুরী, ৮।যুগ্ম সাধারন সম্পাদক আইরিন পারভীন, ৯। সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুর রহিম বাদশাহ, ১০।সাংগঠনিক সম্পাদক চন্দন দত্ত, ১১। সাংগঠনিক সম্পাদক মহিউদ্দিন দেওয়ান, ১২।সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুল হাসিব মামুন, ১৩।আইন বিষয়ক সম্পাদক এ্যাডভোকেট শাহ মো: বখতিয়ার আলী, ১৪। তথ্য ও গবেষণা বিষয়ক সম্পাদক জালাল উদ্দিন রুমী, ১৫। দফতর সম্পাদক প্রকৌকশলী মোহাম্মদ আলী সিদ্দিকী, ১৬। জনসংযোগ বিষয়ক সম্পাদক কাজী কয়েস আহমেদ, ১৭। শিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক এম এ করিম জাহাঙ্গীর, ১৮। সাংস্কৃতিক সম্পাদক শহীদ হাসান, ১৯।বন ও পরিবেশ সম্পাদক নুর আলম চৌধুরী, ২০॥ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সম্পাদক ড.আরিফ চৌধুরী রুবেল, ২১।স্বাস্থ্য সম্পাদক ডাঃ আবদুল বাতেন, ২২। মুক্তিযোদ্ধা সম্পাদক মুজাহিদুল ইসলাম, ২৩। মানবাধিকার সম্পাদক মিসবাহ আহমেদ, ২৪। কৃষি বিষয়ক সম্পাদক আশরাফুজ্জামান, ২৫।শিল্প ও বানিজ্য সম্পাদক ফরিদ আলম, ২৬। যুব ও ক্রিড়া সম্পাদক মাহবুবুর রহমান টুকু, ২৭। এাণ ও সমাজকল্যাণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর হোসেন, ২৮। আন্তর্জাতিক সম্পাদক দেওয়ান বজলু চৌধুরী, ২৯। মহিলা বিষয়ক সম্পাদক শিরিণ আক্তার দিবা, ৩০।ইমিগ্রেশন সম্পাদক এডভোকেট মামুন, ৩১। কোষাধ্যক্ষ আবুল মনসুর খাঁন, ৩২। কার্য্যকরী সদস্যরা হলেন ডেনী চৌধুরী, ৩৩।শরাফ সরকার, ৩৪।হিন্দাল কাদির বাপ্পা, ৩৫। আসাফ মাসূক, ৩৬।আতাউল গণি আসাদ, ৩৭।আলী হোসেন গজনবী, ৩৮।শরীফ কামরুল আলম হীরা, ৩৯।কায়কোবাদ খাঁন, ৪০। এম. আনোয়ার, ৪১।কাজী আজিজুল হক খোকন, ৪২।হোসেন সোহেল রানা, ৪৩।সূজন আহমেদ সাজু, ৪৪।মোস্তফা কামাল পাশা, ৪৫।কামাল উদ্দিন, ৪৬।ওহিদুর রহমান মুক্তা, ৪৭।আমিনুল ইসলাম কলিন্স, ৪৮।রেজাউল করিম চৌধুরী, ৪৯।আজিজুর রহমান সাবু, ৫০।নূরল আফসার সেন্টু, ৫১।এম এ আলম বিপ্লব, ৫২।জুয়েল আহমেদ, ৫২। নুরল আমিন কোতোয়াল, ৫৩।নূরে আলম চৌধুরী, ৫৫।মুজিবুল মাওলা, ৫৬।হারুন আহমেদ, ৫৮। সামসুল আবেদীন, ৫৮।শামীমা তরফদার সূইটি, ৫৯।খোরশেদ খন্দকার, ৬০।গাজী মো: আলী লিটু, ৬১। আজহারুল ইসলাম লিটন, ৬২।ইকবাল কবির, ৬৩।মইনুল হোসেন, ৬৪।রফিকুল ইসলাম পাটোয়ারী, ৬৫।আক্তার আহমেদ চৌধুরী, ৬৬।নুর নবী চৌধুরী, ৬৭।শাহান চৌধুরী, ৬৮।আব্দুল হামিদ, ৬৯।।আলাউদ্দীন জাহাঙ্গীর,৭০।মোহাম্মদ মহসিন রিপন,৭১। মীর নিজামুল হক, ৭২।রফিকুল ইসলাম খাঁজা,৭৩।আবুল কাশেম, ৭৪। টিটু রহমান৭৫।আনোয়ার হোসেন।

বিবৃতি প্রদানকারি উপদেষ্টামন্ডলীর সদস্যরা হলেন ১। অধ্যাপক খালিদ হাসান, ২। ড. নুরান নবী, ৩। ড. মহসিন আলী, ৪। ড. খন্দকার মনসুর, ৫। ড. শাহজাহান মাহমুদ, ৬। ড. লুৎফর রহমান, ৭। ড. সৈয়দ আবু হাসনাত, ৮। ড. বামন দাস বসু, ৯। ড. রায়ান সাদী, ১০। ড. প্রদীপ রঞ্জন কর, ১১। জাহানারা হাসান, ১২। হাজী শফিকুল আলম, ১৩। ড. অসীত সরকার, ১৪। মোস্তাইন দারা বিল্লাহ, ১৫। হাকিকুল ইসলাম খোকন, ১৬। সাইফুল ইসলাম রহিম, ১৭। আলী হোসেন কিবরিয়া অনু, ১৮। শরীফ শাহাবুদ্দীন, ১৯। তোফায়েল চৌধুরী, ২০। রমেশ চন্দ্র নাথ, ২১। বদরুল হোসেন খাঁন, ২২। মোহাম্মদ হানিফ, ২৩। শওকত আকবর রিচি।

Facebook Comments Box
advertisement

Posted ৩:১৯ অপরাহ্ণ | সোমবার, ১৫ এপ্রিল ২০২৪

nypratidin.com |

এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

advertisement
advertisement
advertisement

এ বিভাগের আরও খবর...

আর্কাইভ ক্যালেন্ডার

রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি
 
১০১১
১২১৩১৪১৫১৬১৭১৮
১৯২০২১২২২৩২৪২৫
২৬২৭২৮২৯৩০৩১  

Editor : Naem Nizam

Executive Editor : Lovlu Ansar