
বিশেষ সংবাদদাতা | বুধবার, ০৩ জানুয়ারি ২০২৪ | প্রিন্ট | ১৮৭ বার পঠিত | পড়ুন মিনিটে

মেয়র চার্লেল এল পারকার ও কাউন্সিলওম্যান অ্যাট লার্জ ড. নীনা আহমেদ
৩৪২ বছর আগে প্রতিষ্ঠিত ফিলাডেলফিয়া সিটির প্রথম নারী মেয়র হিসেবে ইতিহাস রচনা করে ২ জানুয়ারি শপথ নিলেন আফ্রিকান-আমেরিকান চার্লেল এল পারকার। তিনি হলেন শততম মেয়র। এ শপথ অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন যুক্তরাষ্ট্রের গৃহায়ন মন্ত্রী মার্সিয়া এল ফিউজ। একইসাথে প্রথম দক্ষিণ এশিয়ান ও প্রথম মুসলিম নারী কাউন্সিলওম্যান অ্যাট লার্জ হলেন বাংলাদেশি আমেরিকান ড. নীনা আহমেদ। ড. নীনা শপথ নিয়েছেন তার মায়ের দেওয়া পবিত্র কোরআন ছুঁয়ে। কোরআন শরিফ ধরেছিলেন তাঁর দুই কন্যা জয়া এবং প্রিয়া। নিকটেই ছিলেন স্বামী আহসান নসরুল্লাহ, ক্যাম্পেইন টিমের অন্যতম সমন্বয়কারি ড. ইবরুল চৌধুরীসহ কম্যুনিটির বিশিষ্টজনেরা। উল্লেখ্য, চার বছর মেয়াদে ফিলাডেলফিয়া সিটি কাউন্সিলের ১৭ কাউন্সিলম্যানের ১০ জন কাউন্সিল ডিস্ট্রিক্ট এবং ৭ জন কাউন্সিলম্যান অ্যাট লার্জ হিসেবে নির্বাচিত হন পুরো সিটির ভোটারের ভোটে গত ৭ নভেম্বর। এই ৭ জনের একজন হলেন ড. নীনা আহমেদ। শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে বিপুলসংখ্যক প্রবাসীর সমাগম ঘটেছিল। ১৪২.৭০ বর্গমাইল বিশিষ্ট এই সিটির জনসংখ্যা ১৫ লাখ ৭৬ হাজার।
শপথ গ্রহণের পর সিটির সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা সিটি কাউন্সিল অধিবেশন কক্ষে ড. নীনার জন্য নির্ধারিত আসন দেখিয়ে দেন। এর আগে প্রয়োজনীয় কাগজে তার স্বাক্ষর নেওয়া হয়।
শপথ গ্রহণের পর অভিবাসী সমাজের ঘনিষ্ঠ বন্ধু হিসেবে পরিচিত ড. নীনা এ সংবাদদাতার কাছে বলেন, সকলকে অনেক ধন্যবাদ সর্বাত্মক সহযোগিতা দিয়ে আজকের অবস্থানে আনার জন্য। আমি সব সময় কম্যুনিটির পাশে থাকবো এবং সমস্যাগুলো সমাধানের জন্য কাজ করে যাবো। এশিয়ান আমেরিকানদের দেখভালের দায়িত্বও আমার ওপরই অর্পিত হয়েছে। প্রয়াত মা-বাবার প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করে তৃণমূল থেকে উঠে আসা কাউন্সিলম্যান ড. নীনা বললেন, আজ আমার মা-বাবা বেঁচে থাকলে সবচেয়ে বেশি খুশি হতেন। তাঁরা যেখানেই থাকুন না কেন, নিশ্চয়ই আমার এ বিজয়ে তারাও খুশী হবেন। প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, গত সাড়ে তিন দশকেরও অধিক সময় যাবত ফিলাডেলফিয়া মেট্র এলাকার অভিবাসী সমাজ্ওে কল্যাণে নিজেকে নিয়োজিত রেখেছেন ড. নীনা। এর আগে তিনি প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামার উপদেষ্টা পরিষদে ছিলেন। ফিলাডেলফিয়া সিটির ডেপুটি মেয়র হিসেবেও মনোনীত হয়েছিলেন ড. নীনা। গত নির্বাচনে পেনসিলভেনিয়া স্টেটের লে. গভর্নর এবং অডিটর জেনারেল পদেও লড়েছেন।



