
বিশেষ সংবাদদাতা | শুক্রবার, ১২ জুলাই ২০২৪ | প্রিন্ট | ৪৫৭ বার পঠিত | পড়ুন মিনিটে

মতবিনিময় সভায় বিশিষ্টজনদের সাথে ড. এ কে এ মোমেন। ছবি-বাংলাদেশ প্রতিদিন।
সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন এমপি ১১ জুলাই বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় বস্টনের ক্যামব্রিজে ইন্ডিয়ান প্যাভিলিয়ন রেস্টুরেন্টে বিশিষ্টজনদের সাথে সমসাময়িক প্রসঙ্গে এক মতবিনিময় সভায় বলেছেন, বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সততা নিয়ে ন্যূনতম প্রশ্ন নেই। শেখ হাসিনা সর্বাত্মকভাবে সচেষ্ট রয়েছেন দুর্নীতি নির্মূলে। যখন সুনির্দিষ্ট তথ্য পাচ্ছেন তখনই অভিযান (তদন্ত) পরিচালিত হচ্ছে।
জাতীয় সংসদে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির চেয়ারম্যান ড. মোমেন আরো বলেন, দলের ত্যাগী ও পরীক্ষিত নেতা-কর্মীরা আজ অবহেলিত। দু:সময়ের কর্মীরা চরমভাবে উপেক্ষিত হাইব্রিড-দের কারণে। ক্ষমতার মোহে দলে নবাগতরাই যত রকমের অপকর্ম চালাচ্ছে, যে তথ্য অনেক সময়েই আমাদের নেত্রীর নজরে আসে না। ড. মোমেন বলেন, ১/১১ পরবর্তী সময়ে আমি প্রায় দিনই বস্টন থেকে গাড়ি চালিয়ে নিউইয়র্ক, ওয়াশিংটন ডিসি, ফিলাডেলফিয়াসহ বিভিন্ন স্থানে গিয়ে সেনা সমর্থিত কেয়ারটেকার সরকারের অপশাসনের নিন্দা ও প্রতিবাদে অংশ নিয়েছি। সুযোগ পেলেই কংগ্রেস, স্টেট ডিপার্টমেন্টে দেন-দরবারেও অংশ নিয়েছি। সেই দু:সময়ে নেত্রীর মুক্তি দাবিতে যারা সরব ছিলেন তাদের মূল্যায়ন করা হচ্ছে কিনা সেটিও প্রশ্নের উদ্রেক ঘটিয়েছে।
নিউ ইংল্যান্ড আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ইকবাল ইউসুফের সঞ্চালনায় এ মতবিনিময় সমাবেশে বিশিষ্টজনদের মধ্যে ছিলেন যোদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধা ইউসুফ চৌধুরী, শহীদ সন্তান নাহিদ সিতারা, ড. আব্দুল্লাহ শিবলি, জিয়াউল হাসান, ড. মোহাম্মদ খান, মোহাম্মদ বাবুল, রহিম পাটোয়ারি, মোহাম্মদ মিয়াজি, মুজিবুল্লাহ, হুমায়ূন চৌধুরী প্রমুখ।
উল্লেখ্য, ড. মোমেন সস্ত্রীক যুক্তরাষ্ট্রের বস্টনে এসেছেন ১০ জুলাই। ১৩ জুলাই শনিবার নিউইয়র্কে আসবেন। ড. মোমেন নিউইয়র্কে অবস্থান করবেন ২০ জুলাই পর্যন্ত। এ সময়েও তিনি প্রবাসীদের সাথে মতবিনিময় করবেন। প্রিয়-পরিচিতজনদের সাথে কথা বলবেন। বৈঠকে মিলিত হবেন জাতিসংঘে বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তাগণের সাথে। মাঝে শিকাগো যেতে পারেন সেখানকার অনরারি কন্সাল জেনারেল মুনির চৌধুরীর আমন্ত্রণে।
দীর্ঘ তিন দশকের অধিক প্রবাস জীবনের অভিজ্ঞতাকে মাতৃভ’মির কল্যাণে ব্যবহারের জন্যে বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা ড. মোমেনকে জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি এবং পরবর্তীতে ঢাকায় ফিরিয়ে নিয়ে সিলেট সদরের সংসদ সদস্য হবার সুযোগ দেন। তারপরই তাকে পররাষ্ট্র মন্ত্রীর দায়িত্বও দিয়েছিলেন। সর্বশেষ নির্বাচনে পুনরায় বিজয়ী হয়েছেন সিলেট-১ আসন থেকেই। বর্তমানে তিনি জাতীয় সংসদে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করছেন।



